পোস্টগুলি

চারণ সাংবাদিক বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তান

ছবি
চারণ সাংবাদিক উপাধি ভারত উপমহাদেশ বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তান অর্থাৎ উত্তর দক্ষিণ এশিয়ার অঞ্চলে সাংবাদিক ও সোসাইটির মধ্যে নাগরিক সাংবাদিক জনপ্রিয় একটি উদাহরণ। ইউরোপ আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া আফ্রিকা পূর্ব এশিয়া পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে চারণ সাংবাদিক আখ্যায়িত হওয়ার ঘটনা পরিলক্ষিত না হলেও নাগরিক সাংবাদিক হিসেবে অবদান রাখার ঘটনা পৃথিবীর সর্বত্রই লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ফেসবুক বদৌলতে সিংহভাগ সংবাদ হয়ে নিউজপোর্টাল গণমাধ্যম ব্লগে দেখা গেছে বিশেষ করে বাংলাদেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চলে নিউজ ক্ষেত্র হিসেবে বিশাল এক সংবাদ ক্ষেত্র। এখানো প্রকৃতি জ্ঞান বিজ্ঞান ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নানান বৈচিত্র্যের সম্ভার। সাংবাদিকতার চারণভূমি সংবাদ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অঞ্চলগুলোতে ধর্ম কৃষ্টি সভ্যতা লোকগাঁথা পরম্পরা সাহিত্য শিল্প বাণিজ্য শিক্ষা সংস্কৃতি ভাষা মূল্যবোধ বিশ্বাস ভালোবাসার বন্ধন মূল্যায়ন নানান বৈচিত্র্য সংবাদ উপাদান কানায় ঠাসা। কখনো ঋতু বৈচিত্র্যের লীলাভূমি। সংবাদগুলো যদিও আঞ্চলিকতার বিচারে দেখা হলেও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের মানদণ্ডে কোন অংশে কম নয়। সরকারের সহযোগিতায় প্রযুক্তির সহজ ...

চিত্ত’দের নেই চিত্তে সুখ

মনোনেশ দাস : প্রতিদিনের মত সেদিনও স্কুলে ইতিহাসের ক্লাস নিচ্ছিলেন চিত্ত রঞ্জন দে। হঠাৎ গুলির শব্দে ক্লাসের ছাত্ররা ভোদৌড় । ছাত্ররাই যখন ক্লাসে নেই আমি বসে থেকে কি করব এই ভেবে চিত্তবাবু ফিরে আসলেন নিজ বাড়িতে । বাড়িতে এসে দেখেন স্কুলের ছাত্রদের মত অপরাপর সরিকরাও যে যার মতো দৌড়া-দৌড়ি শুরু করেছেন । এসময় বাড়ির বাইরে অবস্থিত কিছু লোকের চিৎকারে চিত্তবাবু ও পরিবারের অপরাপর সদস্যরা আতংকিত হয়ে উঠলেন। চিৎকারকারীরা বলছে , সালা মালুর বাচ্চা বাইরে আয় । আজ তগরে জব করাম। ঘটনাটি ঘটেছিলো ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামে । পাকিস্তানের দোষর আলবদর ও রাজাকারের ঐ হুমকীতে ভীত সন্তস্ত্র হয়ে চিত্ত রঞ্জন তার স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ির পেছনের জঙ্গল দিয়ে পৈত্রিক ভিটা ছেড়ে সেই যে পলায়ন করলেন আর ফিরলেন না । আশ্রয় নিলেন ভারতে । ভারতের একটি জেলায় সরকারী স্কুলের শিক্ষক হিসাবে যোগ দিলেন । তিলে তিলে জীবনযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে প্রতিষ্টিত হলেন ভারতে। বাড়ি হলো ,ঘড় হলো , ছেলে- মেয়েরা শিক্ষিত হলো । তাদের বিয়ে হলো । একমাত্র পুত্র হলো চা বাগানের ম্যানেজার । এতো কিছুর পরও সুখ নেই চিত্ত বাবুর মনে । দিন রাত কানে বাজে মৃত্যুকালে ব...

মুক্তাগাছায় হিজল তলায় পুষ্প-বৃষ্টি

ছবি
মনোনেশ দাস : বাংলা ভাষায় ‘পুষ্প-বৃষ্টি ’ শব্দটি কখনো কখনো ব্যবহার হয় । সাধারণত কোন অনুষ্ঠানে সংগৃহীত ফুল বিশেষ মুহুর্তে বৃষ্টির মত করে নিক্ষেপ করা হলে সেটিকেই পুষ্প -বৃষ্টি বলে ধরা হয় । প্রকৃতিতে সত্তিকারের পুষ্প-বৃষ্টি ঘটে এমন দৃশ্যও দেখা যায় ।যেমন শরতে ও ভোর বেলায় শিউলী তলায় দাড়ালে এ পুষ্প-বৃষ্টির মত শিউলী ঝড়া দেখা যায় । কিন্তু শিউলী ফুলের সংখ্যা এবং ঘনত্বের দিক থেকে এটিকে বৃষ্টির সাথে তুলনা করা যায় না । পুষ্প বৃষ্টির আসল দৃশ্যটি দেখা যায় বৈশাখের সূর্যোদয়কালে হিজল তলায় । হিজল সাধারণত জলজ গাছ । হাওড় বিল এমনকি পুকুরের জলাভূমিতে গিজল দেখা যায় । মাঝারী আকৃতির উদ্ভিদ জাতীয় এ গাছটি জলের তলায় শেকড় গেড়ে দাড়িয়ে থাকে । গাছটি বর্তমানে বিরল হলেও এক সময় বাংলার গাছ হিসাবে এদের সংখ্যা অনেক ছিলো । এখনও এদের হাওড় বিলে দেখা যায় । গাছের তুলনায় ফুলের সংখ্যা অনেক বেশী । গাছের শাখায় শাখায় লম্বা ঝুটির মত ফুলের ছড়া থাকে । প্রতিটি ছড়ায় অগনিত ফুলের কলি ঝুলে থাকে । বৈশাখের মাঝামাঝি লাল কমলা রঙের এই ফুলগুলি ফুটতে শুরু করে ।সাধারণত রাতের বেলায় ফুলগুলি ফোটে । সূর্যোদয়ের কিছু আগে থেকে সূর্যোদয়ের কিছু পর পর্যন্...